Ad
কোচবিহার

কোচবিহারে ফের বিজেপির তান্ডব! তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ, কোচবিহারঃ কোচবিহারে ফের বিজেপির তান্ডব! তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারেয়া চন্ডীপাঠ এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠলো বিজেপির বিরুদ্ধে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে বিজেপির আক্রমণে পাঁচজন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন।

Ad

অন্যদিকে, তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধান সভার সংযোজক উৎপল দাস।

তিনি জানান তুফানগঞ্জ ১ এবং ২ নম্বর ব্লকে তৃণমূলের অন্দরেই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তৃণমূল নিজেদের মধ্যেই মারামারি করেছে আর এখন বিজেপিকে দোষারোপ করছে।

তৃণমূলের তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের কনভেনার ধনেশ্বর বর্মন বলেন, শনিবার রাত ১২ টা থেকে রবিবার ভোর ৪ টা পর্যন্ত বিজেপি আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী দক্ষিণ ও পশ্চিম ফলিমারি গ্রামে তাণ্ডব চালায়। তারা দলের অঞ্চল সভাপতি গোকুল সাহার বাড়িতে অতর্কিত হানা দিয়ে তাকে বেধড়রক মারধর করা হয়েছে। এছাড়াও রাজেস্বর বিশ্বাসকে মারধর করা হয়েছে।

 

৩২ টি বাড়ি, ১২ টি মোটরবাইককে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে ধনেশ্বর বাবুর দাবি। তাদের মারধর করার পর বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের আঞ্চলিক কার্যালয়ে তাণ্ডব চালায়। ধনেশ্বর বাবু বলেন, আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এ ঘটনার বিষয়ে আমরা বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হবে। এছাড়াও রামপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানাইবিল এলাকার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নিরঞ্জন সরকারের বাড়ির অনতিদূরে একটি বোম ভর্তি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের সংযোজক উৎপল দাস বলেন, তৃণমূল কর্মীদের অত্যাচারে বিজেপি কর্মীরা বহুদিন এলাকার বাইরে ছিলেন। এখন তারা ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। তৃণমূল তাদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি ছাড়ার জন্য শনিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায়।

 

গতকাল গভীর রাতে তৃণমূলকর্মীরা বিজেপির মন্ডল সম্পাদক মানিক বিশ্বাসের বাড়িতে হামলা চালায়। মানিক বাবুকে বাড়িতে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা ও ঠাকুমাকে মারধর করা হয়েছে। এরপর দলের শক্তি প্রমুখ সুবীর বিশ্বাসের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল। তাকে মারধর করার পর তার মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়।

 

সব কিছুই হয়েছে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি গোকুল সাহার নেতৃত্বে। এরপর এলাকার লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে তারা পালিয়ে যায়। বিজেপিকে বদনাম করার জন্য তৃণমূল এসব কথা বলে বেড়াচ্ছে। এদিকে সমস্ত ঘটনার তদন্তে নেমেছে বক্সিরহাট থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন