সারা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে গোটা কোচবিহার জেলা জুড়ে আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন বিজেপির জেলা সভানেত্রী মালতি রাভা রায়

কোচবিহার – সারা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে গোটা কোচবিহার জেলা জুড়ে আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। এখানকার পুলিশ তৃণমূলের দল দাসে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার কোচবিহারের দলীয় অফিসে বিজেপির কোচবিহার জেলা সভানেত্রী মালতি রাভা এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোট পরবর্তী সময়ে গোটা কোচবিহার জেলায় তৃণমূলের সন্ত্রাস নেমে এসেছে। এতে এখনও বহু মানুষ বাড়ি ছাড়া রয়েছেন। তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যে মামলায় জেলে পোড়া হচ্ছে। মালতিদেবী বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসে গোটা জেলায় ছয় জন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। অথচ পুলিশ একটি অভিযোগও নথিভুক্ত করেনি।

এছাড়াও প্রায় ৪৮ জন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন । তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের লোকজন বেশি ভাঙচুর হওয়া বাড়িগুলোতে পৌঁছাতে পারেননি । কারণ পুলিশ তাদের সেভাবে সহযোগিতা করেনি। তবুও কমিশন যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট।

এদিন বিজেপির জেলা সভানেত্রী মালতি রাভার এই সাংবাদিক সম্মেলনে তার পাশে ছিলেন বিজেপি নেতা নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী, কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক সুকুমার রায় প্রমুখ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে এতে প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক তথা দিনহাটা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান উদয়ন গুহর নাম রয়েছে, এছাড়া দিনহাটা পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার জয়দেব ঘোষ- এর নাম ওই রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সারা জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলার সভানেত্রী মালতি রাভা বলেন, কমিশন যে রিপোর্ট দিয়েছে তা অত্যন্ত যুক্তিসম্মত।