Ad
কোচবিহার

করোনা আবহে দুর্গোৎসবে দুস্থদের জন্য নতুন বস্ত্র সংগ্রহ করছেন কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গার ১ নং ব্লকের বিডিও

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

মাথাভাঙ্গাঃ দুর্গোৎসবের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। দু বছর থেকে করোনা আবহে সেভাবে দুর্গোত্সবের সারা ফেলছেনা সাধারণ মানুষের মধ্যে।

করোনার প্রভাবে একদিকে সরকারি বিধি-নিষেধ অপরদিকে অর্থনৈতিক সংকট। সমস্ত নিয়মকানুন মেনে মানুষের এখন অর্থনৈতিক অবস্থা বিশেষ ভাল নয়। তবুও দুর্গাপূজা বলে কথা। দুস্থ অসহায় বিধবা স্বামীহারা প্রতিবন্ধী এরাও আশা করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে দুর্গা ঠাকুরের মুখ দেখবার। কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় পরিবারের ছোট সদস্য থেকে বড়দের গোমরা মুখে এখন একটাই গান, নতুন জামাকাপড় এখনো হয়নি।

Ad

এদের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এসেছে মাথাভাঙার ১ নম্বর ব্লকের বিডিও সম্বল ঝা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন গত ১৫ দিন থেকে বিভিন্ন অফিসের কর্মচারী, নিজের অফিসের কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিদের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল কিছু নতুন বস্ত্র প্রদান করবার জন্য। আর এই ডাকে সাড়া দিয়ে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। আজ মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের আইসিডিএস এর সুপারভাইজার এবং কর্মীরা মিলে ভিডিওর হাতে প্রচুর নতুন বস্ত্র তুলে দিয়েছেন।

এই কর্মসূচিতে আজকে উপস্থিত ছিলেন মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের বিডিও ছাড়াও সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্প আধিকারিক সিডিপিও নীল রতন হালদার, বিশিষ্ট সমাজসেবী কল্যাণী রায়, আইসিডিএস এর সুপারভাইজার মমতা রায়, পারুল রায় সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বিডিও সম্বল ঝা বলেন, আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে প্রচুর মানবিক মানুষ।

সিডিপিও নীল রতন হালদার বলেন, আমাদের আইসিডিএস এর সুপারভাইজার সহকর্মীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচুর নতুন জামা কাপড় ইত্যাদি বিডিওর হাতে দিয়ে গেলেন আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।

ব্লকের ভিডিও সম্বল ঝা পরিশেষে বলেন, নতুন বস্ত্র সংগৃহীত হয়েছে আরো নতুন বস্ত্র আসা শুরু হয়েছে সবগুলো বস্ত্র একসঙ্গে করে মহালয়ার দিন কয়েকটি জায়গা থেকে গরীব দুঃস্থ ব্যক্তিদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হবে, এবং ওই সমস্ত ব্যক্তিদের মুখে হাসি ফোটানোর ব্যবস্থা করা হবে।

বিডিও সাহেবের মানবিক উদ্যোগ এবং সিডিপিও সাহেবের সহযোগিতা সহ অন্যান্য যারা সহযোগিতা করেছে তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিশিষ্ট সমাজসেবী কল্যাণী রায়।

আরও পড়ুন