Ad
কোচবিহার

দিনহাটার তৃণমূল নেতা অসীম নন্দীর শেষকৃত্বে বাম-ডান সবদলের নেতা-কর্মী, হাজির সাধারণ মানুষও

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

দিনহাটা, ২৫ সেপ্টেম্বরঃ প্রয়াত দিনহাটার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অসীম নন্দীর শেষ কৃত্বে তৃণমূল নেতা কর্মীদের সাথে উপস্থিত বাম নেতা কর্মী থেকে সাধারণ মানুষও।

আজ সকালে কোচবিহার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। সেখান থেকে র‍্যলি করে অসীম নন্দীর মরদেহকে দিনহাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। দিনহাটায় অলোক নন্দী ভবন তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে শব বাহী গাড়িতেই রাখা হয় তাঁর মরদেহকে। সেখানে উপস্থিত হয়ে মরদেহে মাল্যদান করেন তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার সভাপতি গিরীন্দ্রনাথ বর্মণ, চেয়ারম্যান উদয়ন গুহ, সিতাইয়ের তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বসুনিয়া, ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা আব্দুর রউফ সহ প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ ও দিনহাটার বিভিন্ন সমাজ কর্মী। পরে অলোক নন্দী ভবন তৃণমূল কার্যালয় থেকে বিশাল বাইক র‍্যলি করে রথবাড়ি ঘাট শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়।

Ad

এদিন মরদেহে মাল্যদানের পর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গিরীন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, “অসীম নন্দীর চলে যাওয়া দলের জন্য বিশাল ক্ষতি। এই ঘাটতি পূরণ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে।”

তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়ার কথায়, “অসীম দা শুধুমাত্র তৃণমূল নেতাই নয়, আমার অভিভাবকও ছিলেন। আমার সাথে পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। নানা বিষয়ে তাঁর কাছে পরামর্শ নিতাম। তাঁর চলে যাওয়াতে দলের যেমন ক্ষতি হল, তেমনি আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি হল অনেক।”

ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা আব্দুর রউফ বলেন, “অসীম দা দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক কর্মী। আমার সাথে রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকলেও অসীম দা ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে দিনহাটার অনেক ক্ষতি হল।”

বর্তমানে দিনহাটা শহর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদে ছিলেন অসীম নন্দী। দিনহাটা পুরসভায় দীর্ঘদিন কাউন্সিলার ছিলেন। সকলের সাথেই সুসম্পর্ক রেখে চলতেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই ডায়াবেটিস সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি কোলকাতায় গেলে সেখানেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থতার জন্যই কাজ অসম্পূর্ণ রেখে কোচবিহারে ফিরতে ট্রেনে চাপেন। কিন্তু ট্রেনের মধ্যে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে নিউ কোচবিহার স্টেশনে নামার সাথে সাথে কোচবিহার শহরে এনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে সেখানে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন