Ad
কোচবিহার

কোচবিহার জেলা পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, চ্যাংড়াবান্ধায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

কোচবিহার – পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমবাজি সহ একগুচ্ছ অভিযোগ এনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হলেন ট্রাক মালিকরা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা স্থল বন্দর এলাকায়। এর জেরে এদিন বাংলাদেশ গামী সার্করোডে পণ্যবাহী ট্রাকের লাইন পড়ে যায়। ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।

 এদিনের অবরোধ আন্দোলনে শামিল হওয়া ফরিদুল রহমান, হামিদুল রহমান প্রমুখ ট্রাক মালিকরা অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই পুলিশের তরফে তাঁদের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলেই নানারকমভাবে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি, গাড়ি থানায় টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, সীমান্তের এই এলাকায় তাঁদের মতো অনেকে ধার দেনা করে ট্রাক কিনে ভাড়া খাটিয়ে আয় করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পুলিশ তাঁদের ওপর হয়রানির চেষ্টা করছে।

Ad

অভিযোগ, অনেক সময় পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকেরা পণ্যবাহী ট্রাক গুলি আটক করে কাগপত্র দেখার নাম করে ট্রাক চালকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাওয়ার দাবি তোলে। যারফলে বৈধ কাগজ থাকলেও পুলিশকে টাকা দিতে হয় তাদের। এদিন পুলিশের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনে পথ অবরোধে সামিল হন তারা। যদিও পথ অবরোধে ভারত-বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও এই নিয়ে মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকেরা কোন মন্তব্য করেন নি।

এদিনও কয়েকজন পুলিশকর্মী জুলুমবাজির চেষ্টা করেন। এর প্রতিবাদেই ট্রাক মালিকরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। যদিও মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের তরফে অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে।

পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় প্রচুর ট্রাকের নথিপত্র নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এইসব বিষয়ে খোঁজখবর নিলেও ট্রাক মালিকদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ আনার চেষ্টা করে থাকেন।

এদিনের অবরোধ- আন্দোলনের জেরে এখানে বৈদেশিক বাণিজ্যেও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এদিনের আন্দোলনে শামিল হওয়া নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন ট্রাক মালিক ও কর্মী জানান, গত কয়েক মাস থেকে তাঁদের কাছ থেকে পুলিশের নামে মাসিক তোলা নেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে একটি চক্র তাঁদের ওপর চাপও সৃষ্টি করে থাকে। তারপরেও তাঁদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। যেটা মেনে নেওয়া যায় না। তবে কারা এই তোলা আদায়ের চেষ্টা করে থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুন