কোচবিহারে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

ইউবিজি নিউজ, কোচবিহার : কোচবিহার জেলায় নীলিমা বর্মনের স্বামী পেশায় ঠিকা শ্রমিক ! বেশ কয়েক বৎসর ধরে ভিনরাজ্যে কাজ করছে ২০১৮ সাল নাগাদ পরিবারের অমত থাকা সত্ত্বেও, ১ নং সাপটিবাড়ি অঞ্চলের নীলিমা বর্মনের সাথে বিয়ে হয় রানীরহাট অঞ্চলের ১৮৩ শৌলমারি এলাকার যুবক প্রসেনজিৎ বর্মনের !

বিয়ে হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যেন যত! সমস্যার সূত্রপাত!!জানা গেছে ২০১৮ সাল নাগাদ, পরিবারের অপছন্দের একটি মেয়ের সাথে সামাজিক মতে বিয়ে হয় তাঁদের ! বিয়ের কয়েক মাস কাটতে না কাটতেই !

শুরু হয় গৃহবধূ নীলিমা বর্মনের উপর শশুর বাড়ির লোকের নির্যাতন – এমনটাই দাবি করছেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ , ঘটনাটি ঘটেছে মেখেলিগঞ্জ মহকুমার অন্তর্গত রানীরহাট অঞ্চলের ১৮৩ শৌলমারি এলাকায় !

জানা গেছে, ময়নাগুঁড়ি থানার অন্তর্গত ১ নং সাপটিবাড়ি অঞ্চলের জাবারমালি এলাকার বছর ২২ সের নীলিমা বর্মনের সাথে সামাজিক মতে বিয়ে হয়!

রানীরহাট অঞ্চলের ১৮৩ শৌলমারি এলাকার যুবক প্রসেনজিৎ বর্মনের l বিয়ের তিনমাস পরেই ছেলেকে আলাদা বা পৃথক সংসার পাতার নিদান দেন !

শশুর বাড়ির লোকেরা সেই মোতাবেক, অন্য জায়গায় একটি ছাপড়া ঘর তৈরী করে সংসারও বাধে, নীলিমা ও প্রসেনজিৎ – কিন্তু গত দুই বৎসর ধরে, স্বামী প্রসেনজিৎ বর্মন অন্য রাজ্যে ঠিকা শ্রমিকের কাজে যাওয়াতে,ছেলের অনুপস্থিতির সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে নির্যাতনের পরিমান আরো বাড়েয় শশুর বাড়ির লোকেরা !

এমনটাই দাবি করছেন গৃহবধূ এদিকে গত বর্ষায় ছাপড়া ঘরটির মেরামত হয়নি, ফলে সেটিতে থাকা ও খাওয়াদাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে !

ফলে, এদিন স্থানীয় ক্লাব ও পাড়া প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ঘরটি মেরামত করতে গেলে, বাধা প্রদান করে শশুর বাড়ির লোকেরা ! ফলে, সেই সময় ক্লাবের ও পারা প্রতিবেশিদের সাথে ধস্তা ধস্তিও হয় বলে জানা গেছে ! এব্যাপারে, নীলিমা বর্মন নামের ওই গৃহবধূ সংবাদ মাধ্যমকে জানায় l আমার স্বামীকে শশুর বাড়ির লোকেরা কায়দা করে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছে !

স্বামীর রোজাগারের টাকায় সংসার চলছে, শশুড়বাড়ির লোকেদেড় ! তার স্বামী কোথায় আছে কেমন আছে তা তিনি জানেন না তার স্বামীর টাকা পাঠালেও তাকে সেই টাকা দেওয়া হয়না !

ফলে অত্যন্ত অসহায় অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন কাটাছেন তিনি তিনি আরো বলেন তার স্বামীকে যাতে শশুর বাড়ির লোকেরা ফিরিয়ে দিয়ে তাকে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া হউক এমনতাই চাচ্ছেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ !