আজও উন্নতমানের তরমুজের যোগান দিয়ে আসছে মাথাভাঙ্গার চাষীরা

গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ। এর গুনাগুন হয়তো আমরা কমবেশি সবাই জানি। আর এই ফসল উৎপাদনের জন্য একটি কৃষককে কতটা পরিবেশের সঙ্গে কঠিন লড়াই করতে হয় তা আমরা অনেকেই জানিনা।

প্রতিবছর উৎকৃষ্ট মানের তরমুজের যোগান দিয়ে আসছে। মাথাভাঙার মানসাই চরের কৃষক।

এমনি এক কৃষক বিট্টু দাস জানায় যে, যেদিন থেকে আমরা মুজের বীজ রোপন করি, সেদিন থেকে আমরা সবাই বাড়িঘরের কথা প্রায় ভুলেই যাই। সেই সময় আমাদের মাথায় থাকে না চরের বালু কতটা গরম না ঠান্ডা। আমাদের নজর থাকে প্রতিটি চারা গাছের উপর।

কারণ চারা গুলোর যত্নে এতোটুকু খামখেয়ালীর জন্য হয়তো সম্পূর্ণ ক্ষেত ধ্বংস হয়ে যাবে। পরিশেষে ফসল তোলা আগে যদি শিলাবৃষ্টি দেখা দেয় তাহলে তো পুরো পন্ডশ্রম।

তিনি আরো জানান একটি চারা গাছের পিঠ তৈরি করতে আমাদের ২৫টাকা খরচ হয়। আমি এবার ছয় হাজার পিঠ পড়েছ।

এই চাষের বেশিরভাগ পয়সা আমাকে ঋণ নিতে হয়েছে। তাই সরকারের কাছে আমি আবেদন করব, এখানে এই ফসল চাষের সময় যাতে আমাদের কোন ঋণের ব্যবস্থা করা হয়।