কাকার বাড়িতে চুরি ভাইপোর, তদন্তে নেমে কোচবিহার পুলিশের জালে ২

কোচবিহার, ১৭ ফেব্রুয়ারিঃ ব্যবসায়ী কাকার বাড়িতে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ভাইপো সহ আরও এক প্রতিবেশী। কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের পুন্ডিবাড়ি থানার এলাকার খোলটা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে।

আজ কোচবিহারের জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি জানান, ১৫ই ফেব্রুয়ারি রাতে কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের খোলটা এলাকার আলু ব্যবসায়ী সানি শেখের বাড়ির আলমারি থেকে ১২ লক্ষ টাকা ও কিছু স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় তাঁর ভাইপো রানা শেখ ও এক প্রতিবেশী মকসেদ আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৯ লক্ষ টাকা ও চুরি যাওয়া সমস্ত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি টাকা উদ্ধার এবং ওই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা জানতে গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবককে আদালতে তুলে এক সপ্তাহের জন্য পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হবে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এদিন জানা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ভাইপোর নাম রানা শেখ ও প্রতিবেশী যুবকের নাম মকসেদ আলি। চুরির অভিযোগ হওয়ার পরেই পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে ব্যবসায়ী সানি শেখ এলাকার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ফিরে এসে দেখেন তাঁর বাড়ির পিছন দিক থেকে টিনের বেড়া কেটে ভিতরে ঢোকে দুষ্কৃতিরা। এরপরেই চাবি নিয়ে আলমারি খুলে ওই ১২ লক্ষ টাকা ও সেখানে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে চম্পট দেয় তাঁরা।

কিন্তু ওই চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ী কাউকেই সন্দেহের তালিকায় রাখতে পারছিলেন না বলে পুলিশকে জানান। এরপরেই পুলিশ লোকাল সোর্স ব্যবহার করে এলাকার কয়েকজনের উপরে নজর রাখতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত অভিযুক্তের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়ার পরেই পুলিশ ওই চুরির ঘটনায় সফলতার মুখ দেখতে সমর্থ হয়।

এক আলু ব্যবসায়ীর বাড়িতে ১২ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার সহ চুরি হওয়া অর্থ ও স্বর্ণালংকারের বেশীর ভাগটা উদ্ধার করতে সক্ষম হল পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তৎক্ষণাৎ তদন্তে নামে কোচবিহার পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই চোর সহ ৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

বাকি টাকা উদ্ধারের জন্য সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন রানা সেক ও মোকসেদ আলী কে পুলিশ ।