ভোটের কার্ড না থাকলেও দিতে পারবেন ভোট, জানুন কিভাবে

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : সত্যিই এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন একেবারেই আলাদা হতে চলেছে, কারণ অবশ্য রয়েছে অনেকগুলো, তার মধ্যে এটি অন্যতম কারণ রয়েছে সেটি হল, ভোটের কার্ড না থাকলেও এবার আপনি ভোট দেওয়া থেকে কোনো ভাবেই বঞ্চিত হবেন না, কথাটা শুনে অবাক লাগলেও আসলে এটাই সত্যি। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এই ধরনের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে কোনো ব্যক্তির যদি ভোটের কার্ড না থাকে তাহলে সে অন্যসব নথি দিয়ে ভোট দিতে পারবে।

প্রথম দফার ভোট শুরু হচ্ছে ২৭ মার্চ। চলবে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত। চিন্তায় পড়েছেন কোনও কারণে ভোটার কার্ড আপনার কাছে নেই বলে ? ভোট দিতে পারবেন কি না চিন্তা হচ্ছে ? নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ভোটার কার্ড না থাকলেও পারবেন ভোট দিতে।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার কার্ড না থাকলেও নির্দিষ্ট কিছু পরিচিতিপত্র ভোট দেওয়ার সময় ব্যবহার করা যাবে। সেগুলি কী ? দেখে নেওয়া যাক।

আধার কার্ড বুথে দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে। ভোট দেওয়া যাবে MNREGA প্রদত্ত জব কার্ড দেখিয়েও।

এছাড়াও ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবুক ভোটের পরিচিতিপত্র হিসেবে বৈধ। তবে ভোটারের ফটো থাকতে হবে পাসবুকে।

শ্রম মন্ত্রক প্রদত্ত হেলথ স্মার্ট কার্ডের সাহায্যে ভোট দেওয়া যাবে। ভোট দেওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়েও।

ভোটার কার্ড না থাকলে প্যান কার্ড দেখিয়ে যে কোনও ভোটার ভোট দিতে পারবেন। এছাড়াও NPR-এর অধীনে আরজিআই দ্বারা প্রদত্ত স্মার্ট কার্ডের সাহায্যে ভোট দেওয়া যাবে।

ভারতীয় পাসপোর্টও ভোটদানের জন্য বৈধ পরিচয়পত্র।

ফটো রয়েছে এমন পেনশনের কাগজ দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন।

কেন্দ্র, রাজ্য, পাবলিক সেক্টর, আন্ডারটেকিংস এবং পাবলিক লিমিটেড সংস্থাগুলির দ্বারা প্রদত্ত অফিসের সচিত্র পরিচয়পত্রও ভোটদানের জন্য গ্রাহ্য হবে।

এছাড়াও সাংসদ, বিধায়ক, পরিষদ সদস্য দ্বারা প্রদত্ত সরকারি পরিচয়পত্র দেখিয়েও ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন।

রাজ্যে আটদফার ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ছে আগামী ২৭ তারিখ, শনিবার।
প্রথম দফার ভোট হবে ৩০ আসনে।
দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ১ এপ্রিল। ৩০ আসনে। ৩১ আসনের ভোট হবে তৃতীয় দফায়। ৬ এপ্রিল।

চতুর্থ দফার ভোট ১০ এপ্রিল। ৪৪ আসনে। পঞ্চম দফার ভোট হবে ৪৫ আসনে। ১৭ এপ্রিল।

২২ এপ্রিল ভোট ষষ্ঠ দফার, ৪৩ আসনে। সপ্তম দফার ভোট ২৬ এপ্রিল, ৩৬ আসনে। শেষ এবং চূড়ান্ত দফায় ৩৫ আসনে ভোট হবে, ২৯ এপ্রিল।