ধূমপান না করেও হতে পারেন ক্যান্সারের শিকার, হু-এর এক রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : যতরকমের ক্যান্সারের কথা শোনা যায় তার মধ্যে বোধহয় সবচেয়ে বেশি শোনা যায় ফুসফুসে ক্যান্সারের কথা। এর জন্য ধূমপানকেই সকলে দায়ী করেন। সুতরাং, ফুসফুস রক্ষা করার জন্য সিগারেট না খাওয়াই বাঞ্ছনীয়। তবে আপনি যে সিগারেট না খেয়ে ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাবেন, এমন ধারণা ভুল।

ক্রমশই এমন অনেক ঘটনা সামনে আসছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ধূমপান না করেও ক্যান্সারের শিকার হচ্ছেন অনেকে। হু-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধূমপান না করা মানুষের ফুসফুসের ক্যান্সারের সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই সংখ্যা মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

যখন শরীরের কোষের নিয়ন্ত্রণ আয়ত্বের বাইরে চলে যায় তখন ক্যান্সার হয়। প্রচুর সিগারেট ফুসফুসের ক্ষতি করে এবং সহজেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।

ধূমপায়ীদের ক্যান্সার হওয়া ও যারা ধূমপান করে না তাঁদের ক্যান্সার হওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষগুলির জিনে এই পার্থক্য ঘটে। সাধারণত ইজিএফআর জিনের পরিবর্তনের কারণে যারা ধূমপান করে না তাঁদের ক্যানসার হয়।

ধূমপান না করা মানুষের ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার কারণ- সিগারেট খাওয়া ছাড়াও আরও অনেক কারণ রয়েছে যা ফুসফুস ক্যান্সারের কারণ হয়ে থাকে। আসুন আজ World Cancer Day তে সেই কারণগুলির দিকে নজর দেওয়া যাক।

প্যাসিভ ধূমপান- এতে ব্যক্তি সরাসরি ধূমপান করে না, তবে অন্য ব্যক্তির সিগারেট থেকে বের হওয়া ধোঁয়া তাঁর শরীরে প্রবেশ করে। এটা লাগাতার হতে থাকলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৪ শতাংশ বেড়ে যায়। এমন সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

অ্যাসবেস্টস- কোনও ভাবে যদি এর মাইক্রোস্কোপিক টুকরা বাতাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে তবে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা অ্যাসবেস্টস নির্মাণ শিল্পে যুক্ত তাঁদের এই সম্ভাবনা বেশি।

কয়লার রান্না- ঘরের ভিতরে কয়লার রান্নার সময় অনেক রাসায়নিক বের হয় যা ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এটি মহিলাদের ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

বায়ু দূষণ- যানবাহন, শিল্প, বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বায়ু দূষণ ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। বায়ু দূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে। বায়ু দূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি প্যাসিভ ধূমপানের মতোই প্রভাব ফেলছে।

SOURCE – KOLKATA24X7