ads

পাকিস্তানের সততার মুখোশ খুলে দিলো সেখানেরই বাসিন্দারা, দেখুন ভিডিও | UBG NEWS


UBG NEWS, ওয়েব ডেস্ক : প্রশ্ন উঠছিল প্রথম থেকেই যে , পাকিস্তান এতটা ভালো ব্যবহার করছে! তাও ভারতীয় সেনার সঙ্গে? মনে করা হচ্ছিল জেনেভা চুক্তি কিছুটা মেনে আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর জন্য তারা ভালো ব্যবহার করছে। কিন্তু পুরোটাই যে মিথ্যা সেটা আবারও প্রমানিত হল। কোনও ভালো ব্যবহার নয়, অভিনন্দনকে মারধোর করিয়েছে পাক সেনা সামনে উপস্থিত থেকেই। এমনকি সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাক সেনার এক মেজরও।

পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের হাতে পড়ার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো ঘটনায় উপস্থিত ছিল পাকিস্তানের সেনা। তারা দাঁড়িয়ে থেকে মারধোর করায় এবং তারপর ভিডিও করে জোর করে ভারতীয় পাইলটকে বলিয়ে নেয় যে, তাঁর সঙ্গে পাকিস্তান ভালো ব্যবহার করেছে। পাক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া স্থানীয় পাক ব্যক্তির বক্তব্য সেই কথাই প্রমাণ করছে।

আন্তর্জাতিক স্তরে কিভাবে একের পর এক মিথ্যা কতরকম ভাবে বলা যায় বোধহয় পাকিস্তানের থেকে ভালো কেউ জানে না। F-16 নিয়ে পাকিস্তান যে আপদমস্তক মিথ্যা কথা বলে গিয়েছে তার প্রমাণ বৃহস্পতিবারেই দিয়েছে ভারতীয় বায়ু সেনা। এবার সামনে চলে এল তাদের আরও এক মিথ্যার প্রমাণ। পাক নাগরিক সেই কথা নিজে মুখে বললেন। সামা টিভি নামক পাক সংবাদমাধ্যমকে পাকিস্তানের সিন্ধার এলাকার ওই স্থানীয় ব্যক্তি বলেছেন, “আমি তখন কাজের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছিলাম। তখনই দেখি বড় বিমান বা এমন কিছু একটা কিছুতে আগুন লাগা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দেখি যে বাড়ি প্যরাস্যুটে করে একজন নামছে। আমি গাড়ি ঘুরিয়ে সেখানে যাই।”

এরপরেই তিনি বলেন, “আমাদের সেনার কাছে খবর ছিল আমাদের বাড়ির এলাকায় কোনও একটা প্যরাশ্যুট পড়েছে। কিন্তু ওরা বুঝতে পারছিল না ঠিক কোন জায়গায় সেটা রয়েছে। আমি ওদেরকে আমাদের গাড়ি্তে বসিয়ে নিয়ে যাই সেখানে।” এরপরে তিনি বলেছেন, “আমরা যখন ফের ওখানে পৌঁছাই তখন দেখি যে ওই বিমানের পাইলট এলাকারই একটি সরু নালার উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। আমি পাক সেনার মেজর এবং আরও কিছু সেনাকে নিয়ে ওর পিছনে ধাওয়া করি। এরপরেই ওই পাইলট আমাদের উপর দুবার ফায়ার করে। তবে আমাদের কারোও সেই গুলি লাগেনি। আমরা ফের ওর পিছনে ধাওয়া করি। দেখি যে ও ছুটে একটা নদীর জলে ঝাঁপ দিয়ে দিল। আমি ওকে ধরার চেষ্টা করি। কিন্তু পারিনি।
তারপরে আবার একবার ও আমার উপর গুলি চালানোর চেষ্টা করে।বাধ্য হয়ে তখন আমি ছোট্ট নদীর ধার থেকে পাথর তুলে ওর দিকে ছুঁড়ে মারি। একটা ওর পায়ে লাগে আর একটা ওর মাথার পাশ দিয়ে বেড়িয়ে যায়। তখন ও আমাকে দূর থেকেই বলে যা তাকে যেন পাথর না মারা হয়।” এরপরে সে ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, “এই যে পুরো ঘটনা ঘটছিল তখন আমার সঙ্গে পাক সেনার মেজর এবং আরও কয়েকজন জওয়ান ছিল।” অর্থাৎ পাক সেনার সামনে থেকে পুরো ঘটনাটি ঘটতে দিয়েছে তা স্পষ্ট।

মিগ বিমানের পাইলটকে সাধারণ মানুষের হাতে ছেড়ে রেখে তারা অভিনন্দনকে মার খেতে দিয়েছে। তারপর চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য তাকে দিয়ে জোর করে মিথ্যা বলায়, যে তার সঙ্গে পাক সেনা খুব ভালো ব্যবহার করেছে। আদৌ যে তা এক্কেবারেই তা নয় তা আবারও প্রমানিত। ঠিক যেমনটি তারা করেছিল কার্গিল যুদ্ধে যুদ্ধবন্দি পাইলট নচিকেতার সঙ্গে। তিনি বলেছিলেন, “আমাকে ওরা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল। সাধারণ মানুষের হাতে মার খাওয়ায়।”

প্রশ্ন উঠছিল প্রথম থেকেই যে , পাকিস্তান এতটা ভালো ব্যবহার করছে! তাও ভারতীয় সেনার সঙ্গে? মনে করা হচ্ছিল জেনেভা চুক্তি কিছুটা মেনে তারা আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর জন্য তারা ভালো ব্যবহার করছে। কিন্তু পুরোটাই যে মিথ্যা সেটা আবারও প্রমানিত হল।

প্রসঙ্গত অভিনন্দনকে ছেড়ে দেওয়া আগে জোর করে আবারও তাকে দিয়ে মিথ্যা বলায় পাকিস্তান। তাকে দিয়ে আবারও সেই ভিডিও করিয়ে বলিয়ে নেওয়া হয়, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সবকিছু ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখায়৷ এটাই ভারতীয় মিডিয়ার চরিত্র৷ অভিনন্দনের বারবার ভিডিও শুট করে জেনেভা কনভেনশনের ১৩ নম্বর ধারা উলঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান৷

দেখুন ভিডিও

Post a Comment

0 Comments