ads

দলের নেতা–কর্মীদের নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিতে বললেন তৃণমূলের মহাসচিব I UBG NEWS

ওয়েব ডেস্কঃ  কবে ভোটের দিন ঘোষণা হবে সেদিকে না তাকিয়ে এখন থেকেই দলের নেতা–কর্মীদের মাঠে নেমে পড়তে বললেন তৃণমূলের মহাসচিব, মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি। তার নির্দেশ, এলাকায় এলাকায় দেওয়ালে–দেওয়ালে তৃণমূলের প্রতীক এঁকে এখনই লিখুন ‘‌এই চিহ্নে ভোট দিন’‌। বুথে বুথে ছোট ছোট সভা করে তৃণমূল কী কী প্রকল্প সাধারণ মানুষের জন্য নিয়েছে, তা জানান।
শুক্রবার হরিণঘাটা ও কল্যাণী বিধানসভা ধরে বুথ ভিত্তিক কর্মিসভা করেন পার্থ। তিনি বলেন, ‘‌এবারের নির্বাচন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, তাই ভোটার লিস্ট থেকে ইভিএম, সবেতেই সতর্ক দৃষ্টি রাখুন। কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‌মমতা ব্যানার্জি গত নির্বাচনী ইস্তাহারে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার থেকে বেশি কাজ করেছেন। আমাদের সেই সব কাজ সাধারণ মানুষের কাছে বলতে হবে।’‌ মহাসচিব বলেন, ‘‌কংগ্রেস এখানে সাইনবোর্ড হয়ে গেছে। সিপিএম–‌কে দূরবিন দিয়ে দেখতে হয়। বিজেপি কোনও কথা রাখেনি, মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। আমরা সব সময় মানুষের হয়ে কাজ করি। তাই সব সময় মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে। এর পর তিনি কর্মী নেতাদের বলেন, ‘‌আমি জানি আমাদের দলে কংগ্রেস থেকে অনেকেই এসেছেন, তাই তঁাদের ভাল গুণের সঙ্গে খারাপ গুণও আমাদের মধ্যে এসেছে। তাই বলছি, মমতা ব্যানার্জি ছাত্রীদের জন্য যত প্রকল্প এনেছেন, আপনারা তা অনেকেই জানেন না, আপনারা যা জানেন না, তা অন্যদের বলবেন কী করে?‌ কংগ্রেসে যেমন ভোটের আগে পার্টি অফিস খুলে বসে, সারা বছর বন্ধ থাকে, সে রকম আমাদেরও কারও কারও অভ্যাস আছে। মনে রাখতে হবে মমতা ব্যানার্জি যেখানে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন, আপনারা তার কিছুমাত্র না করলে তাঁকে অপমান করা হয়। মনে রাখবেন মমতার রক্ত দিয়ে গড়া  এই দল।
মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘‌বিজেপি–র কোনও দুটো পাখি কখন উড়ে এসে বক বক করে গেল, আমাদের দল থেকে কোন গদ্দার বেরিয়ে গিয়ে কী বলল, সেদিকে আপনাদের তাকানোর দরকার নেই। এখন আমাদের পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন। মনে রাখবেন, আমাদের কর্মী সত্যজিৎ বিশ্বাসকে খুন করা হয়েছে। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে, আমরা এই জেলা থেকে সব কটা আসনে তৃণমূল প্রার্থীকে জিতিয়ে আনব। আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বড়মা বীণাপাণির সম্পর্ক ২১ বছরের ওপর। বড়মার কথায় তিনি ওখানে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছেন। ওখানকার উন্নতির দিকে মমতা সব সময় লক্ষ্য রাখেন। বড়মা অসুস্থ হয়ে কল্যাণীর জওহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি। কাল রাতেই ভর্তি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী খোঁজ নিয়েছেন, আমি দেখে এসেছি। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁর আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে থাকবে না তো কী কে একজন একদিন এসে প্রণাম করলেন, তাঁর সঙ্গে থাকবেন।
হরিণঘাটা ও কল্যাণীর এই কর্মিসভায় ছিলেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, সাংসদ তাপস মণ্ডল, বিধায়ক নীলিমা নাগ, রমেন বিশ্বাস, গৌরীশঙ্কর দত্ত, শঙ্কর সিং, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু প্রমুখ। হরিণঘাটায় সভার দায়িত্বে ছিলেন চঞ্চল দেবনাথ, কল্যাণীর দায়িত্বে অরূপ মুখার্জি। ‌

Post a Comment

0 Comments