ads

ওস্তাদের মার শেষ রাতে:‌ অভিষেক I UBG NEWS


ওয়েব ডেস্কঃ  ওস্তাদের মার শেষ রাতে। কড়ায় গন্ডায় সব হিসাব বুঝে নেব। এবারে ভোট লড়াইয়ে আপনরাই সৈনিক। বুধবার বিষ্ণুপুর ও সাতগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক কর্মিসভায় এসে এভাবেই বক্তব্য পেশ করলেন অভিষেক ব্যানার্জি। পৈলানের যুব সঙ্ঘের মাঠ কানায় কানায় ভর্তি ছিল কর্মীদের ভিড়ে। এদিন তিনি বলেন, দলের যুব সভাপতি হওয়ার কারণে রাজ্যের অন্য জায়গাতেও নির্বাচনী সভায় যেতে হবে। তাই এবার আপনাদের বেশি সময় দিতে পারছি না, তাই ভোটে আপনারাই সৈনিক। আপনাদেরই লড়াই করতে হবে। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনে বৈতরণী পারের দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। অবশ্য ১০ মে থেকে ১৭ মে এই জেলায় নিজের কেন্দ্রেই থাকব। প্রচার করব। আপনারা জানেন তো ওস্তাদের মার শেষ রাতে, কড়ায় গন্ডায় বুঝে নেব। এমনভাবেই কর্মীদের উৎসাহিত করলেন ডায়মন্ড হারবার লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তথা তৃণমূল যুব কমগ্রেস সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি। এদিনের সভায়  ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শামিমা শেখ, বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, সোনালি গুহ, জেলা যুব সভাপতি শওকত মোল্লা। এদিন অভিষেক বলেন, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র বিগত বছরে আড়াই কোটির কাজ করে বাংলায় ১ নম্বর লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এবার জিতলে আগামী দিনে ভারতে এক নম্বর হবে। আরও উন্নয়ন হবে। বিজেপি–র সমালোচনা করে অভিষেক বলেন, তৃণমূল শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা মানুষের পাশে আছে, থাকবে। একদল ভোটের সময় আসে আর চলেও যায়। যাদের কোনও দিন খুঁজে পাওয়া যায়নি। মোদি সরকার বাংলাকে দশ পয়সা দিয়েও সাহায্য করেনি। মোদির উন্নয়নে উপকৃতদের অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হবে। ভাঁওতা দিয়ে বাংলাকে শুধু অশান্ত করতে চেয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতেই রাজনীতি করে টেকা যাবে না। ২৩ মে–র পর পদ্মফুলের মালিকেরা চোখে সরষে ফুল দেখবে। জোড়া ফুল ফুটবে। কংগ্রেস, সিপিএম–কেও খুঁজে পাওয়া যাবে না। যারা কুৎসা করার করবে, কুৎসাকারীদের জবাব দিতে হবে গণতান্ত্রিকভাবে। নরেন্দ্র মোদিকে দিল্লিছাড়া করতে হবে। ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থীকে উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, ৫০০ কিমি দূরে থাকেন বিজেপি তিনি, এলাকা চিনতেই ছ’‌মাস হয়ে যাবে। দুটি বিধানসভা ঘুরে পদাতিক এক্সপ্রেস ধরে বাড়ি চলে যাবেন। এর পাশাপাশি অভিষেক আরও বলেন, দলনেত্রী বলেছেন ৪২–এ ৪২ দিতে হবে। তবে ধর্মনিরপেক্ষ, প্রগতিশীল ভারত উপহার দেবেন দলনেত্রী। এই লড়াই বাংলার সংস্কৃতি, সম্মান ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই।

Post a Comment

0 Comments