জলপাইগুড়িতে আনন্দের প্লাবন I UBG NEWS


জলপাইগুড়ি: যাদবপুর থেকে প্রার্থী হয়েছেন ঘরের মেয়ে। তাই ‌বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস মিমি চক্রবর্তীর পাড়ায়। এতদিন মিমির অভিনেত্রী পরিচয়ে গর্বিত ছিল তঁার ছোটবেলার শহর জলপাইগুড়ি। এবার উচ্ছ্বাস বেড়েছে।
মিমির জন্ম জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে। শহর সংলগ্ন পান্ডাপাড়া কালীবাড়ি এলাকায় মামার বাড়িতেই বেড়ে ওঠা। মা তাপসী চক্রবর্তী। বাবা সোমেশ চক্রবর্তী। চাকরির সুবাদে অরুণাচল প্রদেশে থাকত মিমির পরিবার। মিমিও খুব ছোটবেলায় কিছুদিন অরুণাচলপ্রদেশে কাটিয়েছেন। পরে জলপাইগুড়িতে চলে আসেন। জলপাইগুড়িতেই বড় হয়েছেন মিমি। পড়াশোনা করেছেন জলপাইগুড়ির হোলিচাইল্ড স্কুলে ও বিন্নাগুড়ির সেন্ট জেমস স্কুলে। পরবর্তীতে কলকাতার আশুতোষ কলেজে ইংরেজিতে স্নাতক। সেখান থেকেই ২০১০ সালে বাংলা টিভি সিরিয়ালের অভিনেত্রী হিসেবে কাজ শুরু।
২০১১ সালে টেলি সম্মানের পাশাপাশি পেয়েছেন রাইজিং স্টারের সম্মান। ২০১২ সালে সিনেমার জগতে প্রবেশ। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। অভিনেত্রী থেকে এবার রাজনীতির ময়দানে আসায় মিমিকে নিয়ে জলপাইগুড়ির মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। বড় মামা সুব্রত চক্রবর্তী জলপাইগুড়িতেই থাকেন। ছোট মামা সত্যব্রত চক্রবর্তী শিলিগুড়ির একটি ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। মিমিরা দুই বোন। দিদি সৌম্যশ্রীর বিয়ে হয়েছে জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা অভিজিৎ দাস বলেন, ‘‌মিমি এই এলাকার মানুষের নয়নের মণি। তাঁকে কেন্দ্র করেই পাঁচ বছর আগে পান্ডাপাড়ায় গড়ে তোলা হয়েছে মিমি চক্রবর্তী ফ্যানস ক্লাব। এই ক্লাবের সদস্যরা সকলেই চাইছেন মানুষের জন্য কাজ করুক মিমি।’‌ মিমির বড় মামা সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, ‘‌মিমি এই লড়াইয়ে জিতবেই। মুখ্যমন্ত্রী তঁাকে স্নেহ করেন, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ভাইফোঁটা নেন মিমির কাছে। তাঁদের সকলেরই আশীর্বাদ রয়েছে মিমির ওপর।’‌
মিমির দূরসম্পর্কের আত্মীয় ও প্রতিবেশী সঙ্গীতা দাস বলেন, ‘‌চার–‌‌পাঁচ বছর বয়সেই অরুণাচল থেকে জলপাইগুড়িতে চলে এসেছিল মিমি। ওদের বাড়িতে সবসময় আসা–‌যাওয়া ছিল আমার। ছোট থেকেই ছিল খুব ডানপিটে গোছের। নাচ, গান নিয়ে মেতে থাকত সারাক্ষণ। ছোট থেকেই খুব স্মার্ট। চলন বলনেও ছিল সকলের থেকে আলাদা। রাজনীতিতে আসায় আমরা খুব খুশি।’‌‌